নোটিশ
হে ধনীরা, আর গ্যাসে চলবে না তোমাদের করোলা!
আমার মা জননী পা মচকেছেন দুদিন হতে চলেছে। তাঁকে মামার গাড়িতে করে হাসপাতালে নিতে হয়েছিল। গাড়িতে করে বাসায় ফেরার পথে আমার ভিতরের সুপ্ত ইচ্ছাটা আমাকে খুব ‘প্যারা’ দিচ্ছিল। ‘প্যারা’-টি হচ্ছে, আমার চার-চাকা প্রীতি। অনেক দিন আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম, জীবনের প্রথম কামাইগুলো জমিয়ে সবার আগে একটা চার-চাকা কিনব। হোক সেটা পুরনো মডেল আর সেকেন্ড-হ্যান্ড। স্বীকার করতে লজ্জা নেই, আমি কিছুটা উচ্চাভিলাষী মানুষ। বন্ধু-আত্মীয়দের গাড়িতে যখনি ভ্রমণের সুযোগ আসে, বিশেষ করে ভ্রমণের সময়ে নিজেকে রাজা রাজা মনে হয়। গাড়ির কাঁচের ভিতর থেকে দুপুরের ঠা ঠা রোদে জ্যামে স্থবির ঢাকাকেও তখন 'সেরাম' লাগে। সুতরাং, গাড়ি কেনার স্বপ্ন প্রতিদিনই দেখতাম আমি। যদিও সে স্বপ্ন রাতে আসত না, দিনের বেলায় বাসের মধ্যে যখন পাশের জনের ঘামের গন্ধে আমার ঘ্রাণ-গ্রন্থি সাময়িক অকেজো হয়ে থাকত তখন শুধু আসত।
বটবৃক্ষ চারণ (প্রথম পর্ব)
বাইরে বৃষ্টি, ইলেক্ট্রিসিটি নেই, ইউপিএস-এর কল্যাণে বাতাস খাই আর ল্যাপটপে বসে যা করি নি জীবনে তাই করছি, স্মৃতিচারণ। এক ছোট ভাই এর অনুরোধে ঢেঁকি গেলা; আমার প্রথম লিখা এ ধরনের! ১২ বছরের পুরানো স্কচ হুইস্কি এর মত ১২ বছরের পুরানো সে কাহিনীর শুরু আজ থেকে....
আমাদের ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং কিছু স্মৃতিচারণা
মুলত এই আর্টিকেলটি একটি ফেসবুক পেইজের স্ট্যাটাসের বর্ধিতরূপ। নিয়াজ ভাইয়ের অনুরোধে স্টুডেন্ট জোনের জন্য স্ট্যাটাসটি নতুন করে লিখা। সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে আমি একটি পেইজ খুলেছিলাম আমাদের আফতাবনগর ক্যম্পাস নিয়ে। লিখায় মুলত ২০০৯ সাল থেকে ইস্ট ওয়েস্টের সাথে আমার যুক্ত হবার পর থেকে পেইজ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনা, ইতিহাস, আবেগ, চাওয়া পাওয়ার স্মৃতিচারন করেছি মাত্র। গত ৩ মে আমি আমার ছোট ভাইকে নিয়ে আমাদের মহাখালি ক্যাম্পাস ঘুরতে যাই। সেদিন রাতেই আমার ফেসবুক পেইজে মহাখালি ক্যাম্পাস নিয়ে আমার ব্যাক্তিগত আবেগ প্রকাশ করে একটি স্ট্যাটাস দেই। সেটি এখানে পরিবর্ধিত ও সংশোধন করে দেওয়া হল।
বিদেশ, উচ্চশিক্ষা এবং স্কলারশীপ স্বপ্ন নয়, সত্যি!
কী করে? গল্পে গল্পেই বলি।
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ‘অফিসিয়াল্যি’ ততদিনে আমার সম্পর্ক ছিন্ন হতে চলেছে প্রায়। ‘আন-অফিসিয়াল্যি’, প্রায় প্রতিদিনই যাই জয় এর দোকানে, চা খাই, আড্ডা দেই। ২০০৭ এর মাঝামাঝি একটা সময়ের কথা বলছি, ঐদিন কোনো এক কারণে ইউনিভার্সিটিতে যাওয়া হয় নি। ডিপার্টমেন্ট সেক্রেটারী ফোন করে বললো ইউনিভার্সিটি যেতে পরদিন-কী যেন একটা অনুষ্ঠানে আমাকে অতিথি হিসেবে ডেকেছে ভিসি স্যার। একরকম আকাশ থেকে পড়লাম। ছাত্র হিসেবে আমি আজীবনই মাঝামাঝি গোত্রের ছিলাম। সিজিপিএ’র দিকে নজর দেয়া হয়নি কোনোদিনই। হঠাৎ আমি কেন!